প্রতিদিনই আমরা নতুন বিষয় শিখতে ও জানতে চাই, তাই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে,অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিতে এবং জ্ঞানের পরিধি সমৃদ্ধি করতে আমাদের বাংলা তথ্য প্রশ্নোত্তর প্লাটফর্মে যোগ দিতে একাউন্ট খুলুন এখনই।
প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে অন্যের প্রশ্নের উত্তর দিতে এবং জ্ঞানের পরিধি সমৃদ্ধি করতে আমাদের বাংলা তথ্য প্রশ্নোত্তর প্লাটফর্মে লগইন করুন।
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন, রেজিস্টার্ড ইমেইল ঠিকানা সঠিকভাবে লিখুন,কিছু সময়ের মধ্যে আপনার রেজিস্টার্ড ই-মেইলে লিঙ্ক পাবেন এবং নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করবেন।
Please briefly explain why you feel this question should be reported.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Please briefly explain why you feel this user should be reported.
বাংলাদেশে স্টারলিংক ইন্টারনেট কত বছরের জন্য লাইসেন্স পেয়েছিল?
উত্তরঃ ১০ বছরের জন্য বাংলাদেশে স্টারলিংক ইন্টারনেট লাইসেন্স পেয়েছিল।
উত্তরঃ ১০ বছরের জন্য বাংলাদেশে স্টারলিংক ইন্টারনেট লাইসেন্স পেয়েছিল।
See lessবাংলাদেশে স্টারলিংক ইন্টারনেট আনুষ্ঠানিক ভাবে কত তারিখে চালু হয়?
উত্তরঃ স্টারলিংক ইন্টারনেট বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০ মে, ২০২৫ তারিখে চালু হয়েছে।
উত্তরঃ স্টারলিংক ইন্টারনেট বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০ মে, ২০২৫ তারিখে চালু হয়েছে।
See lessকিছু আউটডোর ওয়াইফাই রাউটার এর নাম জানতে চাই?
আসসালামু আলাইকুম, বাংলাতথ্য ডটকমে প্রশ্ন করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। যতটুকু জানি তার মধ্য থেকে আপনাকে জানানোর চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশে কয়েকটি ব্রান্ডের আউটডোর ওয়াইফাই রাউটার রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত আউটডোর রাউটার ব্রান্ড হলো 1. Altai 2. Tp Link 3. Tenda 4. Wavlink 5. Comfast Etc. উRead more
আসসালামু আলাইকুম,
বাংলাতথ্য ডটকমে প্রশ্ন করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
যতটুকু জানি তার মধ্য থেকে আপনাকে জানানোর চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশে কয়েকটি ব্রান্ডের আউটডোর ওয়াইফাই রাউটার রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত আউটডোর রাউটার ব্রান্ড হলো
1. Altai
2. Tp Link
3. Tenda
4. Wavlink
5. Comfast Etc.
উপরোক্ত ব্রান্ড গুলো ছাড়াও আরও অনেক রাউটার ব্রান্ড থাকতে পারে।
আমার জানামতে উপরোক্ত রাউটার গুলোর ভালো মানের কিছু মডেল হলোঃ
1. Altai ব্রান্ডের Altai c1N ও Altai c1an এই মডেল এর দাম ৯০০০-১০,০০০ এর মধ্যে এলাকাভেদে কম বেশি হতে পারে।
2. Tp Link ব্রান্ডের AX1800 মডেল, এই মডেল এর রাউটার এর দাম ১৫-১৬ হাজার টাকার কাছাকাছি। Tp link এর আরো কিছু মডেল হলো CPE220,EAP110,EAP225
3. Tenda ব্রান্ডের জনপ্রিয় আউটডোর রাউটার টি হলো Tenda O3 এই রাউটার টির দাম ৪০০০-৫০০০ টাকার মধ্যে।
আমি নিজে Altai ব্রান্ডের Altai C1N মডেল টা ব্যাবহার করি। সেরা পারফর্মেন্স পাচ্ছি।
আপনি চাইলে অন্য ব্রান্ড ও দেখতে পারেন। তবে আউটডোর রাউটার গুলোর প্রাইস একটু বেশিই হয়ে থাকে।
আপনি দারাজ অথবা স্টারটেক/রায়ান্স এর মাধ্যমে অনলাইন থেকে কিনতে পারেন। আবার স্টারটেক/রায়ান্স এর ফিজিক্যাল শপ থেকেও কিনতে পারেন।
See lessবিদ্যুৎ না থাকলেও কিভাবে ওয়াইফাই কানেকশন চালু রাখতে পারি?
আসসালামু আলাইকুম, বাংলাতথ্য ডটকমে প্রশ্ন করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনি প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছেন বিদ্যুৎ না থাকলেও কিভাবে আপনি ওয়াইফাই কানেকশন চালু রাখতে পারবেন এই বিষয়ে। প্রথমত আপনার বাসায় যদি ওয়াইফাই প্রোভাইডার ফাইভার অপটিক্যাল ক্যাবল এর মাধ্যমে যদি সংযোগ টি দিয়ে থাকে তাহলে শুধু আপনি বিদ্যুৎ চলেRead more
আসসালামু আলাইকুম,
বাংলাতথ্য ডটকমে প্রশ্ন করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
আপনি প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছেন বিদ্যুৎ না থাকলেও কিভাবে আপনি ওয়াইফাই কানেকশন চালু রাখতে পারবেন এই বিষয়ে।
প্রথমত আপনার বাসায় যদি ওয়াইফাই প্রোভাইডার ফাইভার অপটিক্যাল ক্যাবল এর মাধ্যমে যদি সংযোগ টি দিয়ে থাকে তাহলে শুধু আপনি বিদ্যুৎ চলে গেলে ব্যাকআপ এর ব্যাবস্থা করলেই ওয়াইফাই সংযোগ চালু রাখতে পারবেন।
বিদ্যুৎ এর ব্যাকআপ হিসেবে আপনি ইউপিএস/আইপিএস বা শুধুমাত্র রাউটার অনু চালু রাখার জন্য মিনি ইউপিএস এর মাধ্যমে ও ওয়াইফাই সংযোগ চালু রাখতে পারবেন।
আইপিএস এর দাম তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। দাম কমের মধ্যে আপনি মিনি ইউপিএস ব্যাবহার করতে পারেন।
মিনি ইউপিএস এর প্রকারভেদ ও কোম্পানি ভেদে ১৮০০-২০০০ অথবা ৩৫০০-৩৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
আমার জানামতে কিছু মিনি ইউপিএস ব্রান্ড হলোঃ
১। WGP
২। Marsiva
3। SKE
এই ৩ টা ব্রান্ডের মধ্যে কয়েকটা মডেল এর প্রোডাক্ট রয়েছে। এই মিনি ইউপিএস গুলো দিয়ে আপনি ৭-৮ ঘন্টা বা ১০-১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ ছাড়া রাউটার অনু ব্যাবহার করতে পারবেন।
দ্বিতীয়ত আপনার বাসায় যদি ফাইভার অপটিক্যাল ক্যাবল এর সংযোগ না থাকে তাইলে ফাইভার অপটিক্যাল ক্যাবল এর মাধ্যমে সংযোগ নিতে হবে।
( কিছু ওয়াইফাই প্রোভাইডার (ISP) ক্যাট ৫ অথবা ক্যাট ৬ এর মাধ্যমে সংযোগ দিয়ে থাকে যা দিয়ে আপনার বিদ্যুৎ না থাকাকালিন ব্যাকআপ এর ব্যাবস্থা থাকলেও ওয়াইফাই ব্যাবহার করতে পারবেন না।)
তৃতীয়ত আপনার বাসায় যদি অপটিক্যাল ফাইভার ক্যাবল এর মাধ্যমে সংযোগ থাকার পরেও যদি আপনার ওয়াইফাই প্রোভাইডার (ISP) এর সার্ভার এ যদি বিদ্যুৎ না থাকাকালিন ব্যাকআপ এর ব্যাবস্থা না থাকে তাইলেও আপনার ব্যাকআপ থাকার পরেও ওয়াইফাই ব্যবহার করতে পারবেন না।
আশা করি আপনার প্রশ্নের উত্তর টি প্রদান করতে সক্ষম হয়েছি।
ধন্যবাদ আপনাকে, কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।
See lessমডেম কিভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ মডেম হচ্ছে র্ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এর জন্য একটি হার্ডওয়ার ডিভাইস যা দৃশ্যমান। এই হার্ডওয়্যার ডিভাইসটি তথ্য আদান-প্রদান এর ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হয়। মডেম মূলত ২ ভাবে কাজ করে থাকে। একটি হলো মডুলেটর অপরটি হলো ডি-মডুলেটর। মডুলেটর মূলত ডিজিটাল সংকেত কে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে থাকে। ডি-মডুলেটর মূলতRead more
উত্তরঃ মডেম হচ্ছে র্ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এর জন্য একটি হার্ডওয়ার ডিভাইস যা দৃশ্যমান।
এই হার্ডওয়্যার ডিভাইসটি তথ্য আদান-প্রদান এর ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হয়। মডেম মূলত ২ ভাবে কাজ করে থাকে। একটি হলো মডুলেটর অপরটি হলো ডি-মডুলেটর।
মডুলেটর মূলত ডিজিটাল সংকেত কে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে থাকে।
ডি-মডুলেটর মূলত এনালগ সংকেত কে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে থাকে।
See lessবাংলাদেশের ২য় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায়?
উত্তরঃ বাংলাদেশের ২য় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অবস্থিত।
উত্তরঃ বাংলাদেশের ২য় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অবস্থিত।
See lessইন্টারনেটের জনক বলা হয় কাকে ?
উত্তরঃ ইন্টারনেটের জনক - Vinton Gray Ceff.
উত্তরঃ ইন্টারনেটের জনক – Vinton Gray Ceff.
See lessসাবমেরিন ক্যাবল ব্যবহৃত হয় কোন সংযোগ এর জন্য ?
উত্তরঃ সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবহৃত হয় ইন্টারনেট সংযোগ এর জন্য।
উত্তরঃ সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবহৃত হয় ইন্টারনেট সংযোগ এর জন্য।
See lessইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্বতিকে কি বলে ?
উত্তরঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্বতিকে টেলিমেডিসিন বলে ।
উত্তরঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্বতিকে টেলিমেডিসিন বলে ।
See lessসর্বপ্রথম কত সালে বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হয় ?
উত্তরঃ সর্বপ্রথম ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হলেও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
উত্তরঃ সর্বপ্রথম ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হলেও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
See less